আসমাকে ফুসলিয়ে এনে ধর্ষণের, পর হত্যা

রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে একটি ট্রেনের পরিত্যক্ত বগির শৌচাগার থেকে উদ্ধার হওয়া মাদ্রাসাছাত্রী আসমা আক্তারকে (১৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মরদেহের ময়নাতদন্তের পর এমন তথ্য জানান ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস।

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা রেলওয়ে পুলিশ ওই মৃতদেহটি উদ্ধার করে। আসমার বাবার নাম আবদুর রাজ্জাক। তারা পঞ্চগড়ের বাসিন্দা। আসমা পঞ্চগড়ের খানবাহাদুর মাদ্রাসার ছাত্রী ছিলেন।

ডা. প্রদীপ বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আসমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করার আলামত মিলেছে। তার গলায় কালো দাগ, ডান স্তনে ক্ষত দাগ, নাকে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হত্যার আগে আসমা এক না একাধিক ব্যক্তি দ্বারা ধর্ষিতা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য হাই-ভ্যাজাইনাল সফট টিস্যু, রক্ত ও ভিসেরা সংগ্রহ করে সেগুলো পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এগুলোর রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলা যাবে।

নিহতের চাচা রাজু জানান, রোববার সকাল থেকে আসমাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। বাঁধন নামে এক ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওইদিন সকাল থেকে বাঁধনকেও পাওয়া যাচ্ছিল না। পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে কমলাপুর রেলস্টেশন গিয়ে আসমার মরদেহ দেখতে পাই। আমাদের ধারণা, বাঁধনই তাকে ফুসলিয়ে ঢাকায় নিয়ে এসেছে।

Facebook Comments
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন: